• ৪ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

President Of India

রাজ্য

সত্যি কি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করা হয়েছে? কী বলছে নিয়ম

ভোটের আগে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজ্য ও কেন্দ্রের সম্পর্ক। রাজ্য বনাম রাজ্যপাল, রাজ্য বনাম নির্বাচন কমিশনের সংঘাতের পর এবার সামনে এল রাজ্য ও রাষ্ট্রপতির টানাপোড়েন। শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই সফর ঘিরেই রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক বিষয় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এই ঘটনার পরেই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র।সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন চিঠি লিখে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন বলে জানা গেছে।সাধারণত কোনও রাজ্যে রাষ্ট্রপতি গেলে তাঁকে স্বাগত জানাতে সেই রাজ্যের রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকেন। অনেকেই বলছেন, এ বিষয়ে লিখিত নিয়ম না থাকলেও দীর্ঘদিনের একটি প্রচলিত রীতি রয়েছে। যদি মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত না থাকেন, তাহলে সাধারণত প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত থাকেন। সেখানে মুখ্যসচিব বা পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তার উপস্থিতি দেখা যায়।কিন্তু শনিবার শিলিগুড়িতে সেই ছবি দেখা যায়নি বলেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুধু তাই নয়, রাজ্যের কোনও মন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি মুখ্যসচিব বা পুলিশের শীর্ষ কর্তারও দেখা মেলেনি।এদিকে কয়েকদিন আগেই রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। তাঁর জায়গায় নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন আর এন রবি। তিনি আগামী বারো মার্চ শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। ফলে এই সফরে তাঁর উপস্থিত থাকার প্রশ্নই ছিল না।এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনি যদিও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, কিন্তু বর্তমানে মন্ত্রিসভার সদস্য নন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি যখন কোনও রাজ্যে সফরে যান, তখন সাধারণত মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কোনও সদস্য তাঁকে স্বাগত জানান।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির প্রাক্তন মেয়র তথা বাম নেতা অশোক ভট্টাচার্য বলেন, রাষ্ট্রপতি বাঙালি না অবাঙালি বা কোন সরকারের আমলে নির্বাচিত হয়েছেন, সেটি বড় বিষয় নয়। তাঁর মতে, রাষ্ট্রপতির পদ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ এবং সেই পদকে সম্মান জানানো সব সরকারেরই দায়িত্ব।এই ইস্যুতে বিজেপিও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, রাষ্ট্রপতি কী বলেছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, দুটো বিষয় পাশাপাশি রাখলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাঁর দাবি, তাতেই বোঝা যাবে কে সংবিধানের সীমার মধ্যে কথা বলেছেন আর কে তার বাইরে গিয়েছেন।আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশও এই বিষয় নিয়ে মত প্রকাশ করেছেন। কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত বলেন, রাজ্যের আগের রাজ্যপাল পদত্যাগ করার ফলে একটি প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এই ধরনের অনুষ্ঠানে প্রোটোকল অনুযায়ী কোনও মন্ত্রীর উপস্থিত থাকা উচিত ছিল। কারণ রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে রয়েছেন এবং সেই পদকে সম্মান জানানো প্রথার অংশ।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে সামনে পেয়েই বড় দাবি! বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের ডাক বিজেপি সাংসদের

শনিবার আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁকে স্বাগত জানানোর সময় প্রোটোকল ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি। যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়, কোনও প্রোটোকল ভঙ্গ করা হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপতি ভবন এবং নবান্নের মধ্যে নজিরবিহীন টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সুযোগ নিয়ে রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ করেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলার পরিস্থিতি খুবই খারাপ। তাঁর দাবি, এই অবস্থায় একমাত্র রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে তার অধীনে নির্বাচন করলেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট সম্ভব। দ্রুত বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার দাবি জানান তিনি।এর কিছুক্ষণ পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনিই শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠান শেষ করে দিল্লি পৌঁছানোর আগেই বিজেপি সাংসদ রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলছেন। তাঁর প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতিকে দেখেই কি এই কথা মনে পড়ল? তাঁর দাবি, দলের বড় নেতারা যা বলেন, রাজু বিস্তাও সেটাই বলছেন।গৌতম দেব আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে বিজেপি সাংসদের চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, যদি তৃণমূল ভোটে কারচুপি করত, তাহলে রাজু বিস্তা কীভাবে জিতলেন? তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাংসদ নিজের কেন্দ্রে খুব একটা থাকেন না, অথচ ভোটের আগে বড় বড় কথা বলছেন।উল্লেখ্য, বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ বলে অভিযোগ তুলে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব আগেও একাধিকবার রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছে। বিশেষ করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই দাবি বারবার করেছেন। তবে সেই দাবি এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। তাই রাজু বিস্তার এই দাবিকেও গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ০৮, ২০২৬
দেশ

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর শিলিগুড়ি সফরে প্রোটোকল বিতর্ক, কেন্দ্র রাজ্যকে রিপোর্ট তলব

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময় প্রোটোকল ভাঙার অভিযোগে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে রবিবার সকালে এই নির্দেশ পাঠানো হয়। বিকেল পাঁচটার মধ্যে লিখিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।শনিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে স্বাগত জানাতে যাননি মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনো মন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি নিজেই বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোটবোনের মতো। আমি বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা হয়তো রাগ করেছেন, তাই আমাকে স্বাগত জানাতে তিনি বা কোনও মন্ত্রী আসেননি। তবে এটা বড় বিষয় নয়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবারই প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ওঁর (দ্রৌপদী মুর্মু) অনুষ্ঠানের কথা আমি জানতাম না। এটি কোনও সরকারি অনুষ্ঠান নয়, সম্পূর্ণ বেসরকারি। আমরা এখানে কী করব? আমি এখন ধরনায় আছি, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করছি। আপনারা বিজেপির অগ্রাধিকার হতে পারেন, আমার কাছে আমার জনতাই সব। তিনি আরও যোগ করেন, রাষ্ট্রপতি একজন সর্বোচ্চ সাংবিধানিক ব্যক্তি, আমরা তাঁকে সম্মান করি। কিন্তু বিজেপি তাঁকে রাজনীতি করতে পাঠিয়েছে।রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছিল, ঘটনা শান্ত হতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ইতিমধ্যেই রিপোর্ট তলব করেছেন। মুখ্যসচিবকে জানতে চাওয়া হয়েছে, রাষ্ট্রপতির সফরে ঠিক কী ঘটেছিল এবং প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় এসে বিস্ফোরক মন্তব্য রাষ্ট্রপতির! ‘মমতা হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন’

ভোটের আগে বাংলায় রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সভাস্থল নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর অভিযোগ, অনুষ্ঠানের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার অনুমতি দেয়নি। সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত অন্য জায়গায় সভা করতে হয়েছে।শনিবার শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। তবে তিনি মঞ্চে ওঠার পর দেখা যায় দর্শকাসনে অনেক চেয়ারই ফাঁকা পড়ে রয়েছে। বিষয়টি নজরে আসতেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত চেয়ার ফাঁকা কেন। তাঁর সন্দেহ, কেউ হয়তো বাধা দিয়েছে।উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রথমে ঠিক হয়েছিল এই সম্মেলন হবে বিধাননগরে। কিন্তু পরে একাধিকবার সভাস্থল বদল করতে হয়। শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে সভা করার অনুমতি দেয় প্রশাসন। তবে আয়োজকদের অভিযোগ, অনেক আমন্ত্রিত অতিথি নিরাপত্তা পাশ না পাওয়ায় অনুষ্ঠানে ঢুকতে পারেননি। পুলিশ তাদের আটকে দেয় বলে অভিযোগ।সভা শেষে রাষ্ট্রপতি সেখানেই থেমে থাকেননি। তিনি শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে যান, যেখানে প্রথমে সভা হওয়ার কথা ছিল। সেখানে গিয়ে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বলেন, তিনি আসলে এখানেই সভা করতে চেয়েছিলেন। জায়গাও যথেষ্ট ছিল। তবে কেন রাজ্য সরকার অনুমতি দিল না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি তাঁর ছোট বোনের মতো। তবে হয়তো কোনও কারণে তিনি তাঁর উপর রাগ করেছেন, সেই কারণেই সভা করতে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। এ নিয়েও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সাধারণত রাষ্ট্রপতি কোনও রাজ্যে গেলে মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কেউ তাঁকে স্বাগত জানান। সেটাই নিয়ম এবং প্রোটোকল।শেষ পর্যন্ত বিধাননগরে পূর্ব নির্ধারিত জায়গায় একটি শালগাছ লাগিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন রাষ্ট্রপতি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব জানান, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। জেলা শাসক এবং পুলিশ কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, এর আগেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রণব মুখোপাধ্যায় যখন এসেছিলেন, তখনও তিনি তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সভাস্থল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তা মূলত নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণেই হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মার্চ ০৭, ২০২৬
দেশ

দেশের নয়া উপরাষ্ট্রপতি রাধাকৃষ্ণন, বিরোধী প্রার্থী পরাজিত ১৫২ ভোটে

এনডিএ প্রার্থী তথা মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল সি.পি. রাধাকৃষ্ণন উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী ঘোষিত হয়েছেন। রাজ্যসভা সচিব জেনারেল পি.সি. মোদি জানান, রাধাকৃষ্ণন পেয়েছেন মোট ৪৫২টি প্রথম পছন্দের ভোট। অন্যদিকে বিরোধী প্রার্থী, প্রাক্তন বিচারপতি সুদর্শন রেড্ডি পান ৩০০টি প্রথম পছন্দের ভোট। অর্থাৎ ১৫২ ভোটের ব্যবধানে জয় পেলেন রাধাকৃষ্ণন। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া চলে। এখন রাধাকৃষ্ণন দেশের নতুন উপ-রাষ্ট্রপতি হতে চলেছেন।বিজেডি, বিআরএস ও শিরোমণি আকালি দল ভোট থেকে বিরত থাকে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক দলগুলি নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করল। বিজু জনতা দল(বিজেডি), ভারত রাষ্ট্র সমিতি (বিআরএস) এবং শিরোমণি আকালি দল (এসএডি) ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেয়।বিজেডি জানায়, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ ও কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটদুই শিবির থেকেই সমদূরত্ব বজায় রাখাই তাদের নীতি। বিআরএস কার্যনির্বাহী সভাপতি কে.টি. রামা রাও বলেন, তেলেঙ্গানার কৃষকদের ইউরিয়ার সংকট নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেস উভয়েই উদাসীন। সেই ক্ষোভ প্রকাশ করতেই ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে পাঞ্জাবের বন্যা পরিস্থিতির কারণে শিরোমণি আকালি দল এই নির্বাচন বয়কট করেছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

তারাপীঠে উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়, দেশের মঙ্গল কামনায় করলেন প্রার্থণা

সস্ত্রীক মা তারাকে পুজো দিলেন দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়। দেশের মঙ্গল কামনা করে মা তারার কাছে প্রার্থণা করলেন তিনি। আজ বেলা ১০টা ১৫ মিনিটে তারাপীঠ মন্দিরে পৌঁছান উপরাষ্ট্রপতি। তারপর মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রায় ১৫ মিনিট ধরে পুজো অর্চনা করেন। পুজো দিয়ে সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, মা তারার কাছে দেশের মঙ্গল কামনা করছি। মা তারার দর্শনে আমরা দুজনে এক আলাদা অনুভুতি পেয়েছি।আজ, শুক্রবার দিল্লী থেকে বিমানে করে পানাগড় পৌঁছান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়। তারপর সেখান থেকে বায়ুসেনার চপারে চড়ে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে বীরভূম-ঝাড়খণ্ড সীমানার বায়ুসেনার সুঁড়িচুয়া এয়ারবেসে অবতরণ উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়। তারপর সেখান ১০টা১৫ মিনিটে সড়ক পথে পৌঁছান তারাপীঠ মন্দিরে। সেখানে পুজো দেওয়ার পর ১০টা৩৫ মিনিটে তারাপীঠ থেকে বেড়িয়ে ১১টা ২০ মিনিটে ফের বায়ুসেনার চপারে চড়ে পানাগড়ের উদ্যেশ্যে রওয়ানা দেন।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বুথে ‘লক্ষ্মণরেখা’! একশো মিটার ঘিরে কড়া পাহারা, ভোটে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার একের পর এক নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি এবং ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা তৈরি করা হবে। এই সীমানার ভিতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কেউ ঢুকতে পারবেন না।ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বুথ লেভেল কর্মী এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে বসে নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি ও ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।ভুয়ো ভোট আটকাতে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকাও আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। বুথের আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা নজরে এলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফেরানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

চার্জশিট দিতে দেরি, বড় ফায়দা অভিযুক্তদের! বেলডাঙ্গা কাণ্ডে ১৫ জন জামিনে মুক্ত

বেলডাঙ্গা হিংসা মামলায় বড় সিদ্ধান্ত নিল বিশেষ আদালত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দিতে না পারায় ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা নব্বই দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা করতে পারেনি বলেই আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।মোট পঁয়ত্রিশ জন ধৃতের মধ্যে পনেরো জনকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে জামিন পেলেও তাঁদের উপর একাধিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা কলকাতা পুরসভা এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না। মামলার শুনানির দিন তাঁদের আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রত্যেককে দশ হাজার টাকার বন্ডে জামিন দেওয়া হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের খুনের অভিযোগ ঘিরে মুর্শিদাবাদে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মৃতদেহ বাড়িতে ফিরতেই বেলডাঙ্গায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ মানুষ রাস্তায় নেমে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। রেল ও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার একটি অংশে দীর্ঘক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয় যে ঘটনাস্থলে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদকর্মীরাও। সেই সময় এলাকার জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি উঠেছিল। পরে আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়। মামলাটি উচ্চ আদালত হয়ে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষে তদন্তের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে যায় এবং তারা তদন্ত শুরু করে।এই অবস্থায় চার্জশিট জমা দিতে দেরি হওয়ায় অভিযুক্তদের জামিন মেলায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ফের চাঞ্চল্য আইআইটি খড়গপুরে! ছাত্রের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, রহস্য ঘনীভূত

আইআইটি খড়গপুরে ফের এক পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত পড়ুয়ার নাম জয়বীর সিং দোড়িয়া। একুশ বছর বয়সী এই ছাত্র মেনুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং-এর তৃতীয় বর্ষে পড়তেন। তিনি আইআইটি খড়গপুরের নেহেরু হলে থাকতেন।শনিবার সকালে নেহেরু হলের নীচ থেকে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, হলের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়েই তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। তাঁর বাড়ি গুজরাতের আহমেদাবাদে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনায় গোটা ক্যাম্পাসে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গত ষোলো মাসে এই নিয়ে আটজন পড়ুয়া ও গবেষকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটল আইআইটি খড়গপুরে। এর মধ্যে সাতটি ঘটনাই ঘটেছে ক্যাম্পাসের ভেতরে। পাঁচজনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল।সর্বশেষ গত ডিসেম্বরে এক পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয়েছিল রেললাইনের ধারে। সেই ঘটনাও ঘিরে প্রশ্ন উঠেছিল।এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। নেহেরু হল থেকে তিনি কীভাবে অন্য একটি হলের ছাদে পৌঁছলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কখন তিনি বেরিয়েছিলেন, তা জানতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।একাধিক অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার পর ফের নতুন করে প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! আকাশপথে জেলায় জেলায় সিইও, চাঞ্চল্য রাজ্যে

নির্বাচনের আগে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। ভোটের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এবার হেলিকপ্টারে করে জেলায় জেলায় সফর করবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক Manoj Agarwal। এতদিন সড়কপথে সফর হলেও এবার দ্রুত এক জেলা থেকে অন্য জেলায় পৌঁছতে আকাশপথ বেছে নেওয়া হয়েছে।আগামী ২০ ও ২১ এপ্রিল তিনি মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার এবং পশ্চিম মেদিনীপুর সফর করবেন। এই জেলাগুলিতে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ রয়েছে। তার আগে প্রস্তুতি কতটা সম্পূর্ণ, তা খতিয়ে দেখবেন তিনি। এই সফরের জন্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে হেলিকপ্টার ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এর আগে ২০০৬ সালে তৎকালীন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দেবাশিস সেন ভোটের আগে হেলিকপ্টারে জেলা সফর করেছিলেন। প্রায় ২০ বছর পর আবার সেই ধরনের উদ্যোগ দেখা গেল।কয়েক মাস আগেই তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনী দফতরে বিক্ষোভের ঘটনার পর গত বছরের ডিসেম্বরে তাঁর নিরাপত্তা ওয়াই প্লাস স্তরে উন্নীত করা হয়। এবার তাঁর সফরকে আরও দ্রুত এবং নিরাপদ করতে হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।রাজ্যে এ বার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার পর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট রয়েছে। এর আগে তিনি একাধিক জেলায় গিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা বলে তাঁদের অভিযোগ ও দাবি শুনেছেন।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

দেশ ভাগের চক্রান্ত? ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে বিস্ফোরক মমতা

লোকসভায় আসন পুনর্বিন্যাস বিল পেশ হতেই নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বর্তমান ৫৪৩টি আসন বাড়িয়ে প্রায় ৮৫০ করার পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে দক্ষিণের একাধিক রাজ্য বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছে। এবার সেই বিরোধিতায় সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।কোচবিহারে নির্বাচনী সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিলের মাধ্যমে দেশকে টুকরো টুকরো করার চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র আগাম ফলাফল বুঝতে পেরে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে চাইছে। তিনি বলেন, এখন যখন লোকসভায় ৫৪১টি আসন রয়েছে, তা বাড়িয়ে ৮৫০-এর কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাঁর আশঙ্কা, এইভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং বা শিলিগুড়ির মতো জায়গার অস্তিত্বই মুছে যেতে পারে।বিজেপিকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় এবং এক মুহূর্তে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়াই চলবে। ইতিহাসের উদাহরণ টেনে তিনি মনে করিয়ে দেন, বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধেও একসময় প্রতিবাদ হয়েছিল এবং আজও সেই লড়াইয়ের মানসিকতা বজায় রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বাংলার উপর বারবার চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং অতীতে ভোটের সময় হিংসার ঘটনাও ঘটেছে। তাঁর দাবি, বাংলা বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে মানুষই শেষ কথা বলবে। এই মন্তব্যের পর ডিলিমিটেশন বিল ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
বিদেশ

বড় স্বস্তি বিশ্বে! হরমুজ প্রণালী খুলতেই তেলের বাজারে নয়া আশার আলো

অবশেষে বিশ্বের জন্য বড় স্বস্তির খবর এল। গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার ঘোষণা করেছে Iran। আমেরিকার সঙ্গে সংঘাতের জেরে এই জলপথ দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। এবার সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য তা আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে তেল, গ্যাস সহ বিভিন্ন জ্বালানি পরিবহনে আর বাধা থাকছে না বলে মনে করা হচ্ছে।লেবানন ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণার পরই এই সিদ্ধান্ত নেয় ইরান। প্রায় ৪০ দিনেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর শুক্রবার ফের হরমুজ প্রণালী চালু করার কথা জানানো হয়। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগাচি জানিয়েছেন, যতদিন এই সংঘর্ষবিরতি কার্যকর থাকবে, ততদিন হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে। তবে নির্দিষ্ট রুট মেনেই জাহাজ চলাচল করতে হবে, যা আগেই ইরানের বন্দর ও সামুদ্রিক সংস্থা ঘোষণা করেছিল।ইরানের এই ঘোষণায় ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান এবং ধন্যবাদ জানান।তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে, এমনটা বলা যাচ্ছে না। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের বন্দরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ এখনও বলবৎ থাকবে। তাদের দাবি, সম্পূর্ণভাবে স্থায়ী সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত এই নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হবে। এর ফলে ভারতের মতো দেশ, যারা ইরান থেকে সরাসরি তেল আমদানি করে, তাদের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা তৈরি হতে পারে।উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার পরই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট তীব্র হয়ে ওঠে এবং গ্যাসের বাজারেও চাপ বাড়ে। এখন হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ায় সেই সঙ্কট অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal